Header Ads Widget

তামাদি আইন

  



  • তামাদি আইন উপমহাদেশে প্রথম প্রণীত হয় ১৭৯৬ সালে।
  • লর্ড কর্নওয়ালীশ প্রতিষ্ঠা করেন।
  • তামাদি আইন ১৯০৮ সালের ৯ নং আইন
  • তামাদি আইন ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে কার্যকর বা বলবত হয়।
  • এই আইনের ধারা ২৯ টি।তফসিল ৩ টি, প্রথম তফসিলে অনুচ্ছেদ আছে ১৮৩ টি। ২য় ও ৩য় তফসিল অন্তর্ভুক্ত।
  • এটি বিধিবদ্ধ আইন। তামাদি শুধু দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ফৌজদারী মামলার ক্ষেত্র আপীল, রিভিউ , রিভিশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
  • নিদির্ষ্ট সময়ের মধ্যে দাবি আদায়ে ও স্বত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য ব্যবস্থা না করলে উক্ত স্বত্বাধিকারী নষ্ট হয়েছে বলে আইনে বিবেচিত হয়, আর এটি ই তামাদি আইন।
  • ক্রোম ওয়েলস বলেছেন-
  • “ তামাদি আইন হলো শান্তির আইন”

তাই বলা যায় যে, তামাদী আইন কোন স্বত্ব উদ্ভব করেনা, তা শুধু স্বত্ব আদায়ের সময়কাল স্থির করে দেয়।

  • তামাদী আইন সর্বোশেষ সংশোধিত হয় ২০০৪ সালে .১১৩ ও ১১৪অনুচ্ছেদ সংশোধিত হয়।
  • ক। চুক্তি প্রবলের মামলার তামাদী কাল আছে ৩ বছর এখন ১ বছর( ১১৩ অনুচ্ছেদ)
  • খ। চুক্তি প্রত্যাহের তামাদিকাল আগে ছিলো ৩ বছর এখন ১ বছর(১১৪ অনুচ্ছেদ)
  • তামাদি কাল শুধু হয় Couse of action বা মামলার কারন থেকে তামাদি গননা করা হয়  বাদীর বিরুদ্ধে। বিবাদী যদি তামাদীর প্রশ্ন নাও তুলে তার পরে ও মামলা খারিজ হবে
  • মামলা বলতে দেও্যানী মামলা কে বুঝাবে।
  • তামাদী আইনের সময় গননা করা হয় ইংরেজী ক্যালেন্ডার বা পঞ্জিকা অনুযায়ী। যা গ্যাগ্রিয়ান বর্ষ্পঞ্জী নামে পরিচিত(ধারা ২৫)
  • তামাদীর নির্ধারিত সময় সীমার পর মুল মামলা দায়ের করা যায় না। আর একেই মামলা তামাদী হয়ে যাওয়া বলে। প্রথম তফসিলে বর্নিত নির্ধারিত সময় সীমার মধ্যে কোন মামলা, আপিল, রিভিউ , রিভিশন , আপিল করার অনুমতির দরখান্ত বা লিভ টু আপিল অথবা অন্য যে কোন দরখাস্ত   দাখিল  না করা হলে আদালত তা খারিজ করে দেবেন।
  • উদাহরনঃ রহিম স্থাবর সম্পত্তি হতে  দখলচ্যুত হয়ে ৭ মাস পর মামলা                                   করল।রহিমের মামলা টি তামাদি দোষে খারিজ হলো।কারন স্থাবর সম্পত্তি হতে দখল চ্যুত হওয়ার  ৬ মাসের মধ্যে মামলা করতে হয়
  • আদালত যদি বন্ধ থাকে এবং ঐ বন্ধের সময় যদি তামাদির মেয়াদ শেষ হয়ে যায় সেই ক্ষেত্রে পরবর্তী প্রথম কার্য দিবসে অর্থাৎ আদালত খোলার দিন উক্ত মামলা দাখিল, আপীল কিংবা দরখাস্ত দায়ের করা যাবে যদি বিচারক ছুটে থাকে তবে সেদিন আদালত বন্ধ বলে ধরা হবে ( ধারা ৪)
  • যেমনঃ দলিল বাতিলের মামলা ৩ বছরের মধ্যে করতে হয়। যেদিন ৩ বছরের মধ্যে করতে হয়। যেদিন ৩ বছর পুর্ন হয় সেদিন আদালত বন্ধ থাকলে , খোলার দিন অর্থাৎ  প্রথম কার্যদিবসে মামলা দায়ের করা যাবে।
  • ধারা ৫ঃ বিলম্ব মার্জনা বা বিলম্ব মওকুফ
  • কেউ যদি নির্দিষ্টসময়ের মধ্যে আপিল, রিভিউ, রিভিশন লিভ টু আপীল অথবা অন্যান্য দরখাস্ত দাখিল না করে তিনি যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারেন বিলম্ব হবার যথেষ্ট কারণ ছিল, তাহলে আদালত উক্ত দরখাস্ত মঞ্জুর করতে পারেন।
  • যথেষ্ট কারন গুলোর মধ্যে গুরুত্বপুর্ন-
  • অসুস্থতা ( গুরুতর বা মারাত্মক)
  • .কারাবাস
  • ৩/ সরল বিশ্বাসে ভুল
  • ৪/ কৌশলির ভুল
  • ৫/ আদালতের সংঘাতপুর্ন সিদ্ধান্ত
  • ৬/ রায় বা ডিক্রী তুলতে আদালতের কর্মচারীর ভুল
  • যেমনঃ জেলা জজের নিকট আপিলের তামাদি ৩০ দিন ( অনুচ্ছেদ ১৫২)। কোন কারনে সংক্ষুব্বধ ব্যক্তি বিলম্ব করলে যথেষ্ট কারন দেখিয়ে আদালতের সন্তুষ্ট করতে পারলে আদালত তার তামাদী বিল্মব মার্জনা মউকুফ করতে পারে।
  • – তাই বলা যায় তামাদি আইনের ৫ ধারা আদালতকে নিজস্ব বিবেচনা প্র্য়োগের পর্যাপ্ত ক্ষমতা দিয়েছেন। সুতরাং আদালত ইচ্ছা করলেতামাদি মউকুফ করতে পারেঞ্জ। তবে এ ক্ষেত্রে প্রমান করতে হবে যে দরখাস্তকারী যথাযথ পদক্ষেপ নিতে ব্যার্থ হয়েছে, তবে তা ইচ্ছা কৃত নয়.
  • ধারা ৬ বৈধ অপরাগতা( Legal disability)
  • যে ক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারারপর কিংবা ডিক্রী জারীর জন্য দরখাস্ত দাখিল কারী যে সময় থেকে তামাদি গননা করতে হবে সে সময় থেকে নাবালক, উম্মাদ বা জড়বুদ্ধিসম্পন্ন থাকেতবে সে ক্ষেত্রে উক্ত অপরাগতা অবসান না হওয়া  পর্যন্ত সময় তামাদি গননায় বৃদ্ধি পাবে।
  • উদাহরমঃ “ক” নাবালক অবস্থায় একটি নৌকার ভাড়া উসুলের নিমিত্ত মামলা করার অধিকার পায়।এর চার বছর পরে সে সাবালক্ত্ব লাভ করলেও তখন হতে ৩ বছরের যে কোন সময় সে মামলা দায়ের করতে পারবে।
  • উদাহরন টি ভালোভাবে বুঝতে নিচের আলোচনা প্রয়োজন। কারো যদি বৈধ অপরাগতা থাকে উক্কত অপরাগতা অবসানের পরসেই ব্যক্তি মামলা বা অন্য কোন  দরখাস্ত দায়ের করতে পারবে। এখানে তামাদির প্রশ্ন করা যাবে না।
  • এবং
  • যে মম্লার তামাদিকাল ৩ বছরের নীচে সে মামলার তামাদি কাল যা থাকে বৈধ অপরাগতা বিলুপ্তির পর সেই পরিমান তামাদি কাল পাওয়া যাবেআর যে মামলায় তামাদিকাল ৩ বছরের বেশীথাকে বৈধ অপরাগতা বিলুপ্তির পর তামাদির মেয়াদ যাই থাকুক না কেন এ ক্ষেত্রে সময় পাওয়া যাবে ৩ বছর।
  • উধাহরনঃ স্বত্বের মামলার তামাদি কাল ১২ বছর। রহিম নাবালক থাকা অবস্থায় মামলার তামাদির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। রহিম সাবাল্কত্ব অর্জনের পরদিন থেকে ৩ বছর পর্যন্ত মামলা করার তামাদি কাল থাকবে। যদিও ১২ বছর স্বত্বের মামলার তামাদি কাল গ্রহনযোগ্য নয়। যা ৮ ধারায় বিশেষ পার্থক্য আলোচনা করা হয়েছে।
  • তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে বৈধ অপরাগতা বিলুপ্ত হলে যে কয়দিন তামাদি কাল থাকে মামলা বা দরখাস্ত করার জন্য সেই কয়দিন তামাদি কাল পাওয়া যাবে।
  • উদাহরনঃ ঘোষনার মামলার তামাদি কাল ৬ বছর। করিমের বৈধ অপরাগতা বিলুপ্ত হল মামলা করার তামাদিকালের ১ মাস আগে ।অর্থাৎ ৫ বছর ১১ মাস। করিম মম্লা করার জন্য সময় পাবে ১ মাস।
  • * কতিপয় ফরিয়াদী কিংবা দরখাস্তকারী একজনের আইঙ্গত অক্ষমতা থাকলে তার সম্পত্তি ব্যতিত ই ঋন্মুক্ত করা যাবে।তখন সকলের বিরুদ্ধে তামাদি চল্বে।তবে সম্মতি নামা ব্যতিত দায় মুক্তি না হলে অক্ষমতা অবসান না হওয়া পর্যন্ত তামাদি বিলুপ্ত হবে না।( ধারা ৭)
  • উদাহরনঃ “ক” একটি ফার্মের নিকট দায়গ্রস্থ হয়।“খ” “গ” ও “ঘ” সে ফার্মের অংশীদার। “ খ” উন্মাদ ও “গ” নাবালক।
  • “খ” ও গ” এর সম্মতি নামা ব্যতীত “ঘ” দেনাদারকে ঋন্মুক্ত করতে পারলে সকলের বিরুদ্ধে তামাদি গননা শুরু হবে। আর সম্মতিনামা ব্যতিত করা না গেলে বৈধ অক্ষমতার কারণে তামাদির সময়কাল অতিক্রান্ত হবে না।
  • ধারা ৮ঃ বিশেষ পার্থক্যঃ যে মেয়াদের মধ্যে মামলা করতে হবে,বৈধ অক্ষমতা রোধ বা মৃত্যুর পর ৭ ও ৬ ধারার কোন কিছুই ৩ বছরের অধিক হবে না।
  • যেমনঃ নাবালক সাবালক্ত্ব অর্জনের ৩ বছরের মধ্যে মামলা করার সুযোগ পাবে।
  • অক্ষমতা হলো শারিরীক ক্ষমতার অভাব। আর অযোগ্যতা হলোয়াইঙ্গত অযোগ্যতার অভাব।
  • ধারা ৯।ঃ সময়ের অবিরাম চলনঃএকবার তামাদি উত্তীর্ণ  হতে আরম্ভ করলে তা পরর্তীতে কোন অপরাগতা বা অযোগ্যতা দ্বারা বন্ধ করা যাবে না।
  • শর্ত থাকে যে কোন পাওনাদারকে দেনাদারের সম্পত্তি পরিচালনার হলফনামা প্রদান করেছে, ঐ পরিচালনা অব্যহত থাকলে ঋন উসুলের নিমিত্তে মামলা করার নির্ধারিত মেয়াদ মুলতবি থাকবে।
  • ধারা ১২ঃ সময় গননার নিয়মঃ তামাদির সময় গননার ক্ষেত্রে মামলা ,আপীল ,রিভিশন, দন্ডাদেশ, রায় ইত্যাদীর শুরুর দিন টি বাদ যাবে এবং ঘোষনার দিন ও বাদ যাবে।
  • *আপীল ,রিভিউ, রিভিশনের ক্ষেত্রে নকল উঠাতে যত দিন লাগবে তত দিন বাদ যাবে।
  • *কোন রোয়েদাদ বাতিলের আবেদনের নির্ধারিত তামাদির সময় থেকে রোয়েদাতের নকল নেওয়াকালীন সময় বাদ দিতে হবে।
  • * বাংলাদেশের বাইরে ও অপরাপর কয়েকটি এলাকা ( বাংলাদেশের বর্হিরভুত) হতে বিবাদীর অনুপস্থিতির সময় কাল তামাদির সময় থেকে বাদ দিতে হবে।
  • – এ ধারা শুধু বিবাদীর বৈধ অক্ষমতাকেই নির্নয় করে (ধারা ১৩)
  • ধারা ১৪ঃ এখতিয়ার বিহীন আদালতে মামলা দাখিল করলে যে কাল ক্ষেপন হয় তা তামাদিকাল থেকে বাদ যাবে।
  • এ ধারার উপাদান ৩ টি
  • ১। মামলার কারনের অভিন্নতা
  • ২। বাদীর অবিশ্বাস
  • ৩। এখতিয়ার বিহীন আদালত
  • * আদালতের কার্যব্যাবস্থা স্থগিত থাকলে বা নিষেধাজ্ঞা থাকলে ঐ সময় কাল তামাদি থেকে বাদ যাবে(ধারা ১৫)
  • উদাহরনঃ ক ক্ষতিপুরনের মামলা করার কারনে ১৩-৩-২০০২ সালে ডিক্রী পায়। খ পরে ডিক্রী জারি স্থগিত চেয়ে মামলা করলে ২৩-০৭-২০১৪ তারিখ পর্যন্ত ডিক্রি জারি স্থগিত রাখা হল।এর মর্ধবর্তী সময় তামাদী কাল থেকে বাদ যাবে।(ধারা ১৫)
  • ধারা ১৮ঃ প্রতারনার ফলঃ
  • প্রতারনার মাধ্যমে যদি কাউকে মামলা থেকে বিরত রাখা হয় এবং এর মাধ্যমে যদি তামাদি কাল শেষ হয়ে যায় তবে উক্ত ব্যক্তি যেদিন থেকে প্রতারনা বুঝতে পারবে সেদিন থেকে মামলা করতে পারবে।
  • উদাহরনবঃ ক খ এর কাছে টাকা পায়। খ দাবিটি স্বীকার করে এবং থানায় পরিশোধ করতে বলে। কিন্তু টাকা আদায়ের তামাদিকাল শেষ হয়ে গেলে খ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়।যদি ও টাকা আদায়ের তামাদি কাল ৩ বছর   তবু ও খ এর প্রতারনার  ফলে ক যেদিন থেকে প্রতারনার বিষয়টি বুঝতে পারবে সেদিন থেকে মামলা করতে পারবে। তামাদি শেষ হয়েছে বলে খ কোন  আপত্তি করতে পারবে না।
  • ১৮ ধারা টি এক তরফা ডিক্রী রদের ক্ষেত্রে বেশী ব্যাবহার করা হয় ।তবভবে প্রতারনার অভিযোগ অভিযোগকারীকেই প্রমান করতে হবে।
  • ধারা ১৯ঃ লিখিত ভাবে স্বীকারোক্তির আইনগত ফলাফল বা প্রাপ্তি স্বীকারঃ
  • বরাবর অস্বীকার করে মেয়াদ শেষ হবার পুর্বে বিবাদী স্বীকার করার পর মামলা করা যাবে এই স্বীকার অবশ্যই লিখিত হতে হবে।
  • উল্লেখ্য যে তামাদির সময় সীমা উত্তীর্ণ  হবার পরে যদি স্বীকৃতি প্রদান করে তবে তা এ ধারার আওতায় পড়ে না।

 

  • যদি লিখিত লিখিত স্বিকৃতিতে তারিখ থাকে, তবে তা সাক্ষরের সময় সেই বিষয়ে মৌখিক সাক্ষ্য দেওয়া যাবে, বিষয়বস্তু সম্পর্কে নয়।

বন্দকী জমির ফসল প্রাপ্তির রশিদ দেনা পরিশোধের সময় উত্তীর্ণ হবার পুর্বে অর্থাৎ দেনা তামাদি হয়ে যাওয়ার পুর্বে দেনাদার যদি কিছু অর্থ মহাজন কে দেওয়ার স্বীকৃতি প্রদান করে এবং  ঐ স্বকৃতিতে সাক্ষর করে দেয় , সে তারিখ থেকে উহা পরিশোধ করা হয় সে তারিখ থেকে নতুন করে তামাদি গননা শুরু হবে

 এর উপাদা গুলো হলোঃ

১। সুদের হার উল্লেখ থাকতে হবে

২০ ধারার ৩ টি শর্ত পুরণ করতে হবে

২। দেনার কিছু অংশ তামাদির মেয়াদ পার হবার পুর্বেই দিতে হবে।

  • দেনাদার ব্যক্তি ৩ বছর পর দায় স্বীকার করলে এ ধারায় তা গ্রহন যোগ্য হবে না।
  • ৩। দেনাদার বা তার এজেন্ট কে এটি পরিশোধ করতে হবে এবং স্বীকৃতিতে সাক্ষর করতে হবে।
  • যে দিন যে লোক মামলার পক্ষ হয় ,সেই দিনি সে মামলার পক্ষ বা মামলার করেছে বলে ধরতে হয়।
  • শর্ত থাকে যে,এরুপ পর্যায়ভুক্তি যদি সম্পত্তি যদি সম্পত্তি হস্তান্তর বা উত্ত্রাধিকার এর কারনে হয় তাহলে উপোরক্ত নীতি বলবত হয় না(ধারা ২২)
  • ধারা ২৩ অব্যাহত চুক্তি ভংগ বা অনিষ্ট করাঃ
  • এ ধারা টি কেবল অবিরাম অন্যায় বা ক্ষতির জন্য প্রয়োগ হবে।আর যেখানে মামলার কারন একবারি উদ্ভব হয় সেখানে এ ধারা টি প্রয়োগ করা যায় না।তাই বলা যায় যে কার্য করলে প্রতিমুহুর্ত্ একটি মামলার বা নালিশের কারন উদ্ভব হয়,। সে ক্ষেত্রে প্রতি মুহুর্তে  মামলার  তামাদি কাল  বৃদ্ধি পায়।
  • যেমনঃ পদাধিকার ও আলোবাতাস ব্যাবহারে বাধা। পুরুষত্বহীনতা প্রভৃতি অব্যাহত অনিষ্টের উতকৃষ্ট উদাহরন। যে কয়বার উ উৎপাত ও জমির উপর অনাধিকার প্রবেশ হয়, সে ক্ষেত্রে প্রতিটি উক্কত্রুপে অন্যায় কার্যই নতুনভাবে মামলা করার উদ্ভব করবে
  • যে কাজের দ্বারা নির্দিষ্ট ক্ষতি হয় না,কিন্তু কাজের ফলস্বরুপ ক্ষতি অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে, সে ক্ষেত্রে যেদিন প্রক্ক্রিতি ক্ষতি টি অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রেযেদিন ক্ষতি টি  অনুষ্ঠিত  হয় সেদিন থেকেই তামাদির মেয়াদ কাল হিসাব করতে হবে। (ধারা ২৪)

উদাহরনঃ ক একটি জমির  উপড়ি ভাগের মালিক।খ  ঐ জমির ভু- গর্ভের মালিক। উপরিভাগের তাতক্ষনিক স্পষ্ট কোন ক্ষতি না করে খ ভু গর্ভ হত্র কয়লা খনন করে ও উত্তোলোন করে এতে জনি টির উপরিভাগের ভূমি ধসে পড়ে  এক্ষেত্রে ক দ্বারা খ এর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের তামাদি সময় ধষেপড়ার সময় হতে শুরু হবে

ধারা ২৫তামাদি আইনে দলিল সামগ্রী গ্রেগ্রীয়ান অধীনে প্রনীত হবে।

উদাহরন ঃ  জণৈক  হিন্দু ১ বছরের  ভিতর টাকা পরিশোধ শর্তে  একটি মুচলেকা প্রদান করে এবং তাতে স্থানিয় বর্ষ্পুঞ্জী  অনুসারে তারিখ উল্লেখ করে। এই মুচলেকার কারনে মামলা দায়ের করতে হলে গ্রেগ্রীয়ান বর্ষ্পঞ্জী অনুসারে তারিখ হতে ১ বছর অতিবাহিত হবার পর তামাদির মেয়াদ গননা করতে হবে।

  • সুখাধিকারের কথা বলা হয়েছে তামাদি আইনের ২(৫) ধারায়। সুখাধিকার বা পদাধিকার বলতে এমন একটি অধিকার বুঝাবে যা কোন চুক্তি হতে সৃষতি নয় অথবা এর দ্বারা একজন লোক অপর একজনের মালিকানা ভুক্ত কোন জমির একটি অংশ হতে কিংবা অপর পএকজনের জমিতে জন্মিয়েছেকিংবা অবস্থান করছে এমন কিছু ব্যাবহারের জন্য আইঙ্গত অধিকার রয়েছে।
  • ধারা ২৬ঃসুখাধিকার অর্জনঃ যেখানে কোনো আলো,বাতাস পানি ,পথব্যাবহার সুখাধিকার হিসেবে কোন বাধা ছাড়া ২০ বছর শান্তিপুর্ণ ভাবে  ভোগ করা হয়েছে তা নিরংকুশ ও অলংঘনীয় অধিকারে পরিনত হয়েছে।
  • সরকারী জমি হলে ২০ বছরের স্থানে ৬০ বছর পড়তে হবে। মামলা করতে হলে ২০ বছর শেষ হবার  ২ বছরের পুর্বে মামলা করতে হবে, তা যদি অধিকারের দাবির বিরুদ্ধে হয় এবং অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ২০ বছর পুর্ণ হবার পরবর্তী ২ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।
  • উদাহরণঃপথ চলাচলে বাধা প্রদানের জন্য ১৯১১ সালে একটি মামলা দায়ের করা হয়। বিবাদী বাধা প্রদানের কথা স্বীকার করে।বাদী প্রমান করে যে, সে অধিকার১৮৯০ সালের ১লা জানুয়ারি হত্র ১৯১০ সালের ১লা জানুয়ারী পর্যন্ত অব্যহতভাবে এতে সুখাধিকার হিসেবে স্বত্ব দাবি করে শান্তি পুর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করে।বাদী রায় পাবার অধিকারী।

Post a Comment

0 Comments